ডিকয়
ডিকয় সে তেমন শরীরসর্বস্ব, সুডৌল বিভাজিকার দুরন্ত হাতছানি, চাঁদ চাঁদ মিহিদানা মোহন টার্গেট— প্রায় বুলসআই-লাল, প্রায় প্রায় নির্বিবাদ সত্যি স্বচ্ছ। তার ঠোঁট দু’টি প্রতিশ্রুতির মতো খোলে, তার শরীর প্রায় নেচে ওঠা মুদ্রা, যুদ্ধক্ষেত্র এক শয়নকক্ষ, শয়নকক্ষ এক নয়নাভিরাম খতিয়ান। প্রতিটি চুম্বন, এক উত্তোলন— প্রতিটি স্পর্শ, এক আত্মসমর্পণ, ছিটকে বের হয়ে যাওয়া হোয়াইট ইয়েলো। ওহ, কিন্তু প্রেমই তাহলে যুদ্ধ যে গুনগুন করে, আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেখা চড়াই-উতরাই, তার প্রেমিকদণ্ডের শেয়ারমার্কেট। সে ভাবে, যখন সে লক্ষ্য ভেদ করছে, ছুটিয়ে দিয়েছে আগুনের দুরন্ত ফুলকি, সেখানে শরীরসর্বস্ব দিয়ে সাজিয়ে রাখা ডিকয়, একটি সাধারণ সাবজেক্ট ও স্থূল উথাল। প্রলোভন আর ঈশ্বরে পার্থক্য কী? দু’জনেই পূজা চায়, দু’জনেই তোমাকে খালি করে দেয়, দু’জনেই ধ্বংসকে মনে করায় মুক্তির স্বাদ। কিন্তু আসল টার্গেট তো ইতিমধ্যেই পিছনে— সারবাঁধা রানওয়ে থেকে ঝাঁক ঝাঁক মারণ, একটি অর্থবহ শাইশাই, একটি কর্মক্ষম পনপন, একটি সুপারসোনিক নব্বই ডিগ্রি ভল্ট দিয়ে অলক্ষ্যে পিছন থেকে ঘুরে এসে তবাহ করে দিয়ে যায় তার উচ্চতম মাংসল। টাইফুন সে এসেছিল এক মৃদু নৌকার মতো— পালগুলো ভি...