দ্বিমাত্রিক আখ্যান
আপনার দেওয়া শৈলী এবং বিষয়বস্তুকে একত্রিত করে, পূর্বের গল্পটিকে নতুন আঙ্গিকে, প্রায় ৪০০০ শব্দের একটি সাহিত্যিক গদ্যে পুনরায় রচনা করা হলো। **তাজমহল: এক ভার্চুয়াল মূর্তির জ্যামিতি** **প্রথম অধ্যায়: প্রতিসরণের ওপারে লক্ষ্মী ও বিশুর দোকানের ধোঁয়া** আমার জগৎ ছিল পাঠ্যপুস্তকের সাদা-কালো অক্ষরের, ইতিহাসের ধূসর সাল-তারিখের। এর বাইরে যে কোনো তীব্র রঙের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তা আমার কাছে ছিল এক দুর্বোধ্য হেঁয়ালি। সেই তীব্রতার সামনে দাঁড়ালে নিজেকে অতি ক্ষুদ্র প্রতীত হতো, জলজ্যান্ত রূপকগুলো কীভাবে চোখের সামনে বেগুনী হয়ে আসে, তা আমি দূর থেকে দেখতাম। আমি কোনোদিন সেই রঙের গভীরে ডুব দেওয়ার জন্য প্রতিসরণের আশ্রয় বা প্রতিফলনের দ্বারস্থ হইনি, কারণ আমি জানতাম, সেই পথ আমাকে এক যান্ত্রিক বিমূর্ততার দিকে ঠেলে নিয়ে যাবে, যেখানে দেখা বা না-দেখা বা কোনো অভিব্যক্তিই আর কোনো দৃশ্যকল্প তৈরি করতে পারে না। আমার ভিতর ও বাহিরকে এক সমান্তরালে এনেও যে অবয়বটা চোখের সামনে এসে দাঁড়াত, সেটা ছিল এক ভার্চুয়াল মূর্তি। অথচ আমি মরিয়া হয়ে ছুঁয়ে দেখতে চাইতাম তার রক্তমাংস, শুঁকে নিতে চাইতাম তার গন্ধ, চোখ ভরে দেখে নিতে...