Posts

Showing posts from July, 2025

দিল্লির ডায়াসপোরা

 দিল্লিতে যে সমস্ত বাংলা লঘু পত্রিকা বর্তমানে প্রকাশিত হচ্ছেঃ ১) অজন্তা - ১৯৬১, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায়, নবেন্দু সেন ২) পূর্বাচলের কথা- ১৯৭১, প্রথম সংখ্যার সম্পাদক বিমল চক্রবর্তী ৩) দিগঙ্গন ১৯৭৯, তপন সেনগুপ্ত, brototi sengupta, Pritha das ৪) বঙ্গচেতনা ১৯৯৩, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও সঞ্জীবন রায়, অভিজিত মুখোপাধ্যায় (বর্তমান সম্পাদক) ৫) উন্মুক্ত উচ্ছ্বাস- ১৯৯৭, বিকাশ বিশ্বাস, সহ সম্পাদক আদিত্য সেন ৬) প্রবাহ ১৯৯৮, বর্তমান নাম 'কথাঞ্জলী', দিলীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, কথাঞ্জলির বর্তমান সম্পাদিকা স্বপ্না বন্দ্যোপাধ্যায় ৭) আপনজন ১৯৯৮, গৌতম চক্রবর্তী ৪) ঢেউ, ঢেউয়ের পর ঢেউ ১৯৯৫, বিমল চক্রবর্তী ৯) দিল্লি হাটার্স- ২০০১, দিলীপ ফৌজদার ১০) মাতৃমন্দির সংবাদ ২০০২, কালীপদ চক্রবর্তী ১১) প্রতিচী- ২০০৪, চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী ১২) আগরি ২০০৫, দীপালী মজুমদার ১৩) প্রভাতী ২০০৬, অমল বসাক ১৪) প্রাস- ২০০৫, শর্বানীরঞ্জন কুণ্ডু ১৫) ব্রীহি - ২০০৫, শর্বানীরঞ্জন কুণ্ডু ১৬) বোধসন্ধ্যা ১৯৯৫, দীপা ঘোষ ১৭) আত্মজা ২০০৭, রিমা দাস ১৮) ধ্বনি ২০০৮, ড. রঞ্জন ঘোষ ১৯) হিন্দোল ২০০৯, চিত্তরঞ্জন পাকড়াশী ২০) সা...

দিল্লি-ভিত্তিক বাংলা সাহিত্য

  কৃষ্ণা মিশ্রভট্টাচার্য পীযূষকান্তি বিশ্বাস দীপঙ্কর দত্ত রবীন্দ্র গুহ সোনালী মিত্র প্রিয়দর্শী দত্ত ঝুমা চট্টোপাধ্যায় প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত অঞ্জন কাঞ্জিলাল অঞ্জলি সেনগুপ্ত মুন্সী মহম্মদ ইউনুস সৌরাংশু চঞ্চল ভট্টাচার্য মৌমিতা মিত্র রীতা বিশ্বাস পাণ্ডে শিবানী শর্মা রেখা নাথ অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় সুতপা ঘোষ দস্তিদার মোনালি রায় সুব্রত ঘোষ দিলীপ ফৌজদার কালীপদ চক্রবর্ত্তী শাশ্বতী নন্দ মণিরত্ন মুখোপাধ্যায় মনীষা কর কৌশিক সেন ইন্দিরা দাশ রিমা দাস

নিঃসঙ্গ পদাবলীর যাত্রী

নিঃসঙ্গ যাত্রার পদাবলী -- পীযূষকান্তি বিশ্বাস রাত্রি নামে। চরাচর এক উষ্ণ কম্বলের নীচে গুটিয়ে নেয় নিজেকে। ঘুমিয়ে পড়ে নগর , ঘুমিয়ে পড়ে তার ব্যস্ত রাজপথ , তার সশব্দ আকাঙ্ক্ষা। শুধু জেগে থাকে এক আত্মা। একলা। তথাকথিত মানুষেরা যখন স্বপ্নের মসৃণ সাগরে পাল তোলে , কবি তখন জেগে ওঠেন এক অসমুদ্র ঝড়ের কিনারে। তিনি হাঁটেন। এ কোনো গন্তব্যের হাঁটা নয়। এ এক অন্তহীন পদচারণা। পায়ের তলায় পিচঢালা পথ নয় , যেন জমে থাকা শতাব্দীর যাত্রা। দুপাশে নিয়নের বাতিগুলো মৃত জোনাকির মতো চেয়ে থাকে ; তাদের আলো কবির শরীর ছোঁয় , কিন্তু আত্মা ভেজাতে পারে না। তাঁর আত্মা ভেজে অন্য আলোয়—চাঁদের সেই হিম পারদে , যা চুইয়ে পড়ে চিনার গাছের পাতায় , যা এঁকে দেয় চরাচরের এক ধূসর মানচিত্র। কেন এই হাঁটা ? কিসের নেশায় ? লোকে বলবে—এ পাগলামি। বলবে—এ এক অনর্থক বিলাস। সমাজ সঙ্গ চায় , উষ্ণতা চায় , চায় দেওয়া-নেওয়ার সহজ হিসাব। কিন্তু কবির হিসাব মেলে না। তাঁর মুদ্রা ভিন্ন। তাঁর দেনা-পাওনা শব্দের সঙ্গে , অনুভূতির সঙ্গে , সেই অব্যক্ত সত্যের সঙ্গে যা দিনের আলোয় মুখ ঢেকে রাখে। তিনি সেই মুখের ঘোমটা সরাতেই বেরিয়ে পড়েন নিশিথ প্রদেশে। মানুষ এক আ...