বাঘ

একটা সময় ছিলো, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বাঘা যতীন হয়ে উঠতো যতীন্দ্রনাথ। তার শৌর্য বীর্যের নাম ডাক ছড়িয়ে পড়তো গ্রামে গ্রামে। আমি নিজেও বাঘা যতীনের মতো  বীরপুরুষ হবার স্বপ্ন দেখতাম। কালে কালে, বাঘ মারা সহজ হয়ে উঠলো। বন্দুক দিয়ে কিছুটা দূর থেকে গুলি করে বাঘ মারা যায়। 

অনেকেই বলাবলি করতো। এতে আর কি কৃতিত্ব, হাতে বাঘ মারা আর বন্দুকের গুলিতে বাঘ মারার বিস্তর পার্থক্য। যে হাতে বাঘ মারে, সেই আসল বীর।

কিছুকাল আরো গেলো। আমাদের বুদ্ধি বিবেচনা আরো একটু পরিপক্ক হলো। বুঝলাম যে, বাঘ মারাটাই আসল প্রতিভা। কি দিয়ে বাঘ মারলে,সেটা ততো গুরুত্বপূর্ণ নয়।

বুদ্ধি পাকা একটি ক্রমাগত পদ্ধতি।  পেকে পরিপক্ক হওয়ায় একটি উপলব্ধি। 

ভাবি, পৃথিবীর অন্তিম বাঘ শিকার হয়ে যাবার পর আপনি কি মারবেন? 

এইটা নিয়ে একটি সুন্দর গদ্য লিখে দেবেন। ভাষা ও শব্দ, উচ সাহিত্যের হওয়া চাই।

Comments

Popular posts from this blog

যমুনার বৃত্তান্ত: মর্মরের কারাগার

লেখকের নিয়তি

লীলা মজুমদার - আনন্দের জগৎ